ঢাকা , সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহামারি করোনা ও ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের কারণে টানা দুই বছর মন্দাভাব

ফুলের রাজ্যে ঘুরে দাঁড়ানোর মুখে নতুন শঙ্কা ওমিক্রন

আলা উদ্দিন
  • Update Time : ১১:০২:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২
  • / ৪৩১ Time View

Caption Caption Caption Caption Caption

মহামারি করোনা ও ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের কারণে টানা দুই বছর মন্দাভাব বিরাজ করছে যশোরের গদখালির ফুলের রাজ্যে। তবে এবার নতুন উদ্যোমে বাগানের পরিচর্যা শুরু করেছেন ফুলচাষিরা। তাদের টার্গেট পয়লা ফাল্গুন, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও মহান শহীদ দিবস এবং স্বাধীনতা দিবসে ফুল বিক্রি করে আগের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া। কিন্তু ঘুরে দাঁড়ানোর মুখে হঠাৎ করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে তাদের মধ্যে। 

তেমনই একজন ফুলচাষি শফিকুল ইসলাম (৬০)। দেড় বিঘায় গোলাপ, ১২ কাটা জমিতে জারবেরা ও দেড় বিঘা জমিতে গাঁদা চাষ করেছেন। ফুলে ফুলে ভরে গেছে বাগান। তবে করোনার বিধিনিষেধে ইতোমধ্যে সামাজিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠান বন্ধ হওয়ায় কমতে শুরু করেছে ফুলের দাম। এমন পরিস্থিতিতে সামনের দিবসগুলোতে ফুল বিক্রি নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন তিনি।

 

মহামারি করোনা ও ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের কারণে টানা দুই বছর মন্দাভাব বিরাজ করছে যশোরের গদখালির ফুলের রাজ্যে। তবে এবার নতুন উদ্যোমে বাগানের পরিচর্যা শুরু করেছেন ফুলচাষিরা। তাদের টার্গেট পয়লা ফাল্গুন, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও মহান শহীদ দিবস এবং স্বাধীনতা দিবসে ফুল বিক্রি করে আগের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া। কিন্তু ঘুরে দাঁড়ানোর মুখে হঠাৎ করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে তাদের মধ্যে। 

তেমনই একজন ফুলচাষি শফিকুল ইসলাম (৬০)। দেড় বিঘায় গোলাপ, ১২ কাটা জমিতে জারবেরা ও দেড় বিঘা জমিতে গাঁদা চাষ করেছেন। ফুলে ফুলে ভরে গেছে বাগান। তবে করোনার বিধিনিষেধে ইতোমধ্যে সামাজিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠান বন্ধ হওয়ায় কমতে শুরু করেছে ফুলের দাম। এমন পরিস্থিতিতে সামনের দিবসগুলোতে ফুল বিক্রি নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন তিনি।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

মহামারি করোনা ও ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের কারণে টানা দুই বছর মন্দাভাব

ফুলের রাজ্যে ঘুরে দাঁড়ানোর মুখে নতুন শঙ্কা ওমিক্রন

Update Time : ১১:০২:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২

মহামারি করোনা ও ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের কারণে টানা দুই বছর মন্দাভাব বিরাজ করছে যশোরের গদখালির ফুলের রাজ্যে। তবে এবার নতুন উদ্যোমে বাগানের পরিচর্যা শুরু করেছেন ফুলচাষিরা। তাদের টার্গেট পয়লা ফাল্গুন, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও মহান শহীদ দিবস এবং স্বাধীনতা দিবসে ফুল বিক্রি করে আগের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া। কিন্তু ঘুরে দাঁড়ানোর মুখে হঠাৎ করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে তাদের মধ্যে। 

তেমনই একজন ফুলচাষি শফিকুল ইসলাম (৬০)। দেড় বিঘায় গোলাপ, ১২ কাটা জমিতে জারবেরা ও দেড় বিঘা জমিতে গাঁদা চাষ করেছেন। ফুলে ফুলে ভরে গেছে বাগান। তবে করোনার বিধিনিষেধে ইতোমধ্যে সামাজিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠান বন্ধ হওয়ায় কমতে শুরু করেছে ফুলের দাম। এমন পরিস্থিতিতে সামনের দিবসগুলোতে ফুল বিক্রি নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন তিনি।

 

মহামারি করোনা ও ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের কারণে টানা দুই বছর মন্দাভাব বিরাজ করছে যশোরের গদখালির ফুলের রাজ্যে। তবে এবার নতুন উদ্যোমে বাগানের পরিচর্যা শুরু করেছেন ফুলচাষিরা। তাদের টার্গেট পয়লা ফাল্গুন, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও মহান শহীদ দিবস এবং স্বাধীনতা দিবসে ফুল বিক্রি করে আগের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া। কিন্তু ঘুরে দাঁড়ানোর মুখে হঠাৎ করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে তাদের মধ্যে। 

তেমনই একজন ফুলচাষি শফিকুল ইসলাম (৬০)। দেড় বিঘায় গোলাপ, ১২ কাটা জমিতে জারবেরা ও দেড় বিঘা জমিতে গাঁদা চাষ করেছেন। ফুলে ফুলে ভরে গেছে বাগান। তবে করোনার বিধিনিষেধে ইতোমধ্যে সামাজিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠান বন্ধ হওয়ায় কমতে শুরু করেছে ফুলের দাম। এমন পরিস্থিতিতে সামনের দিবসগুলোতে ফুল বিক্রি নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন তিনি।


Fatal error: [snuffleupagus][disabled_function] Aborted execution on call of the function 'curl_setopt', because its argument '$option' content (81) matched the rule 'Please don't turn CURLOPT_SSL_VERIFYHOST off.' in /home4/newssite/public_html/enews/wp-includes/Requests/src/Transport/Curl.php on line 194